হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) এর সাথে জান্নাতে যাওয়ার আমল! পড়ুন

বুধবার, মে ২৯, ২০১৯ ৩:১৩ অপরাহ্ণ

হজরত মুনজির [রা.] বলেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে এ দোয়াটি পড়বে আমি তার দায়িত্ব নিলাম, কেয়ামতের দিন আমি তাকে তার হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাব।

[মুজামে কাবির-৮৩৮ মুজামুস সাহাবাহ-১৬৯৬] বাংলা উচ্চারণ রদিতু বিল্লাহি রববাও ওয়া বিল ইসলামি দিনাও ওয়া বিমুহাম্মাদিন [সা.] নাবিইয়াও।

বাংলা অর্থঃ আমি আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট আমার প্রতিপালক হিসেবে এবং ইসলামের প্রতি সন্তুষ্ট আমার দীন হিসেবে এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি সন্তুষ্ট আমার নবী হিসেবে।
কিয়ামতের ময়দানে যে ব্যক্তির পিতা-মাতাকে নূরের টুপি পরানো হবে

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য কিয়ামতের ময়দানে মহান আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন সুসংবাদের ডালা সাজিয়ে রেখেছেন। ওই দিন আল্লাহ পাক এক বিশেষ ব্যক্তির পিতা-মাতাকে নূরের টুপি পরিয়ে দেবেন।

এ প্রসঙ্গে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোরআন শরিফ পড়ে ও এর ওপর আমল করে, তার মাতা-পিতাকে কেয়ামতের দিন এমন একটি [নূরের] টুপি পরানো হবে, যার জ্যোতি সূর্যের জ্যোতি থেকেও বেশি হবে। যদি তা তোমাদের ঘরের মধ্যে উদিত হতো! তাহলে যে স্বয়ং কোরআনের ওপর আমল করে, তার এ আমল সম্পর্কে তোমাদের কী ধারণা হতো?’ [আবু দাউদ]

মূলত পবিত্র কোরআন পড়া ও আমল করার বরকত হলো তেলাওয়াতকারীর মাতা-পিতাকে এমন তাজ [টুপি] পরানো হবে, যার আলো সূর্য থেকে বহু গুণ উজ্জ্বল হবে।

আর যদি সেই সূর্য তোমাদের ঘরের মধ্যে হয়, অর্থাৎ সূর্য কোটি কোটি মাইল দূরে থেকেও এত বেশি আলো দান করছে, যদি তা ঘরের মধ্যে এসে পড়ে নিশ্চয়ই বহুগুণ বেশি আলো দান করবে। সুতরাং এ হাদিস থেকে বোঝা গেল যে কোরআন তেলাওয়াতকারীর পিতা-মাতার কত বড় সম্মান ও ইজ্জত।

কাজেই চিন্তা করে দেখুন, স্বয়ং তেলাওয়াতকারী ও তার ওপর আমলকারী কত বড় সম্মানের অধিকারী হবে। আর পিতা-মাতার ওই মর্যাদা শুধু এ জন্য যে তাঁরাই সন্তানের জন্ম ও শিক্ষার পেছনে অবদান রেখেছেন।